নিয়মিত বেটিংয়ের পাশাপাশি Dedebet ভিআইপি প্রোগ্রামে যোগ দিন। বিশেষ বোনাস, দ্রুত উইথড্র, ডেডিকেটেড ম্যানেজার এবং এক্সক্লুসিভ ইভেন্টে অ্যাক্সেস – সব সুবিধা এক জায়গায়।
Dedebet-এ পাঁচটি স্তরে ভিআইপি সদস্যপদ – বেটিং বাড়লে স্তর বাড়ে, সুবিধাও বাড়ে
একনজরে দেখুন কোন স্তরে কী কী সুবিধা পাবেন
| সুবিধা | 🥉 ব্রোঞ্জ | 🥈 সিলভার | 🥇 গোল্ড | 💎 প্লাটিনাম | 👑 ডায়মন্ড |
|---|---|---|---|---|---|
| ক্যাশব্যাক হার | ৫% | ৮% | ১০% | ১২% | ১৫% |
| উইথড্র সময় | ২৪ ঘণ্টা | ১২ ঘণ্টা | ৬ ঘণ্টা | ১ ঘণ্টা | ৫ মিনিট |
| জ্যাকপট মাল্টিপ্লায়ার | ১.৫× | ২× | ২.৫× | ৩× | ৫× |
| ডেডিকেটেড ম্যানেজার | |||||
| এক্সক্লুসিভ টুর্নামেন্ট | |||||
| জন্মদিন বোনাস | ৳৫০০ | ৳১,০০০ | ৳২,৫০০ | ৳৫,০০০ | কাস্টম |
| মাসিক রিলোড বোনাস | ১০% | ১৫% | ২০% | ২৫% | |
| হায়ার বেট লিমিট | |||||
| বার্ষিক বিশেষ উপহার |
বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে কিছু কথা
গোল্ড স্তরে আসার পর থেকে উইথড্রতে আর দেরি হয় না। ডেডিকেটেড ম্যানেজারের সাথে সরাসরি কথা বলা যায় – এটা সত্যিই অনেক সুবিধা।
সাপ্তাহিক ক্যাশব্যাক ১২% – এটা আমার কাছে সবচেয়ে ভালো সুবিধা। খারাপ সপ্তাহে একটু হলেও সান্ত্বনা পাই। Dedebet-এ থাকার মূল কারণ এটাই।
ডায়মন্ড স্তরে ৫ মিনিটে উইথড্র – প্রথমবার হলে বিশ্বাস হয় না। কিন্তু এটা সত্যি। মেগা জ্যাকপটে ৫× এন্ট্রিও দারুণ।
বাংলাদেশে অনলাইন বেটিং সাইট অনেক আছে, কিন্তু যারা নিয়মিত খেলেন তাদের কদর সব জায়গায় সমানভাবে হয় না। Dedebet ভিআইপি প্রোগ্রাম তৈরিই করা হয়েছে এই বিষয়টা মাথায় রেখে – যারা বেটিংকে শুধু মাঝে মাঝে সময় কাটানোর উপায় হিসেবে নয়, বরং একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে দেখেন তাদের জন্য।
ভিআইপি হওয়ার সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো প্রতিটি বেটে অতিরিক্ত মূল্য যোগ হয়। সাপ্তাহিক ক্যাশব্যাক মানে হারলেও একটা অংশ ফেরত পাওয়া। যে সপ্তাহে বেটিং ভালো যায়নি, সে সপ্তাহেও Dedebet আপনার পাশে থাকে এই ক্যাশব্যাকের মাধ্যমে। দীর্ঘমেয়াদে হিসাব করলে এটা বেশ উল্লেখযোগ্য পরিমাণ হয়ে দাঁড়ায়।
অনেকেই ভাবেন ভিআইপি হওয়া বুঝি শুধু বড় বড় বেটারদের জন্য। কিন্তু বাস্তবে ব্রোঞ্জ স্তরে আসতে মাসে মাত্র ৳৫,০০০ বেটিং করতে হয়। যারা সপ্তাহে দু'তিনটি ম্যাচে বেট করেন, তারাও অনায়াসে এই স্তরে পৌঁছাতে পারেন। একবার স্তরে উঠলে সেই সুবিধাগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে চালু হয়ে যায় – আলাদা কোনো আবেদন করতে হয় না।
প্রতি মাসের শুরুতে আগের মাসের বেটিং অ্যাক্টিভিটি দেখে স্তর নির্ধারিত হয়। তাই এক মাস ভালো বেটিং করলে পরের মাসেই উন্নত স্তরের সুবিধা পাওয়া শুরু হয়। এবং যদি কোনো মাসে অ্যাক্টিভিটি কম থাকে, Dedebet একধাপ নামার আগে একটি রিমাইন্ডার পাঠায়।
গোল্ড স্তর থেকে যে ডেডিকেটেড ম্যানেজার সুবিধা পাওয়া যায়, সেটা অনেকের কাছে শুরুতে অতিরিক্ত মনে হয়। কিন্তু একবার ব্যবহার করলে বোঝা যায় এটা কতটা কার্যকর। উইথড্র সংক্রান্ত প্রশ্ন, বোনাস ক্লেম, বা কোনো টেকনিক্যাল সমস্যা – সব কিছুতে সরাসরি পরিচিত একজন মানুষকে পাওয়া যায়, জেনেরাল কাস্টমার কেয়ারের লাইনে অপেক্ষা করতে হয় না।
Dedebet ভিআইপি প্রোগ্রামের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হলো এটা ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে। আজ ব্রোঞ্জ স্তরে শুরু করলে, নিয়মিত বেটিং করতে থাকলে কয়েক মাসের মধ্যেই গোল্ড বা তার উপরে পৌঁছানো সম্ভব। এবং প্রতিটি স্তরে যে বাড়তি সুবিধা পাওয়া যায়, সেটা বেটিংয়ের অভিজ্ঞতাকে আরও ভালো করে।
ভিআইপি ক্যাশব্যাক ও বোনাসে টার্নওভার শর্ত প্রযোজ্য। বিস্তারিত শর্ত জানতে নিয়ম ও শর্তাবলী পড়ুন। দায়িত্বশীল বেটিংয়ের জন্য দায়িত্বশীল খেলা পেজ দেখুন।
ডিপোজিট ও ট্রানজেকশন হিস্ট্রি সংক্রান্ত প্রশ্ন
সাধারণত Dedebet-এ বিকাশ, নগদ বা রকেট থেকে ডিপোজিট ১–৫ মিনিটের মধ্যে অ্যাকাউন্টে প্রতিফলিত হয়। তবে কখনো কখনো পেমেন্ট গেটওয়ের লোড বেশি থাকলে ১৫–৩০ মিনিট পর্যন্ত সময় লাগতে পারে।
৩০ মিনিটের বেশি হয়ে গেলে যা করবেন:
সাপোর্ট টিম সাধারণত ১ ঘণ্টার মধ্যে সমস্যাটি সমাধান করে দেয়। ভিআইপি সদস্যরা এই ক্ষেত্রে আরও দ্রুত সহায়তা পান।
Dedebet-এ লগইন করার পর অ্যাকাউন্ট সেকশনে দুটি আলাদা জায়গায় এই তথ্য পাবেন:
তারিখ অনুযায়ী ফিল্টার করা যায়, তাই নির্দিষ্ট সময়কালের হিসাব দেখতে সুবিধা হয়। ভিআইপি ম্যানেজারের কাছে আবেদন করলে মাসিক স্টেটমেন্ট পিডিএফ আকারেও পাওয়া যায়।